প্রেগন্যান্সি চেক করার নিয়ম।

 প্রেগন্যান্সি চেক করার নিয়ম।

আগের দুটি পোস্টে আপনি জানতে পেরেছেন “আপনি গর্ভধারনের জন্য প্রস্তুত কি না” এবং “গর্ভধারনের প্রাথমিক লক্ষণ সমুহ”। এই পোস্টটিতে আপনি জানতে পারছেন  “কিভাবে প্রেগন্যান্সি চেক করবেন”।


সাধারনত নিয়মিত মাসিক বন্ধ হয়ে গেলে অর্থাৎ আপনার যে সময়টাতে মাসিক হওয়ার কথা সেই সময়টাতে না হলে, প্রেগন্যান্সি চেক করাটাই উত্তম।

বেবি চেকঃ

আপনার কাছাকাছি যে কোনো ফার্মেসীতে গিয়ে বলুন যে “আপনার একটি বেবি চেক” লাগবে । ১৫/২০ টাকার মধ্যেই তা পেয়ে যাবেন। অনেকেই আবার ডিজিটাল চেকার ব্যবহার করে থাকেন। 

কখন করবেনঃ

সাধারনত সকালে ঘুম থেকে উঠে ১ম প্রস্রাবটি পরীক্ষার জন্য উত্তম। অবশ্য দিনের অন্য সময়ের প্রস্রাবও ব্যবহার করা যায়। তবে মনে রাখতে হবে বেশী পানি পান করে অল্প সময়ের মধ্যে চাপ প্রয়োগ করে গৃহিত প্রস্রাবে রেজাল ভুলও হতে পারে। তাই সকাল বেলার প্রস্রাবটিই ব্যবহার করুন।

যেভাবে করবেনঃ

প্যাকেট আনবক্স করার পর নির্দেশিকা চিত্র দেখুন। স্ট্রিপটির  এক প্রান্ত হাতে নিয়ে অপর প্রান্তটি প্রস্রাবের মধ্যে ডোবান। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। লক্ষ্য করুন স্ট্রিপটিতে কয়টি দাগ উঠেছে। যদি দুটি দাগ উঠে তাহলে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী। আর যদি একটি দাগ উঠে তাহলে বুঝবেন রেজাল্ট নেগেটিভ অর্থাৎ আপনি গর্ভবতী নন।

রির্পোট কি ভুল হয়?

হ্যাঁ, রির্পোট মাঝে মাঝে ভুলও হতে পারে। প্রথমত, বেবি চেক এর মেয়াদ দেখে নিন।কারন মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে রির্পোট তো ভুল হতেই পারে। দ্বীতিয়ত, আপনি যদি মাসিক বন্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ আগেই টেস্ট করেন। তাই আপনাকে অবশ্যই মাসিক বন্ধ হওয়ার ৪২ দিন পর প্রেগন্যান্সি চেক করতে হবে। তৃতীয়ত, বেশী পানি পান করে অল্প সময়ের মধ্যে চাপ দিয়ে সংগ্রহীত প্রস্রাব নিয়ে পরীক্ষা করলে। তাছাড়া কিছু কিছু রোগের ঔষুধ শরীরের বিভিন্ন হরমোন উৎপাদনে সাহায্য করে।তাই যারা দির্ঘ্য সময় ঔষুধ সেবন করছেন তাদের ক্ষেত্রে রির্পোট ভুল আসতে পারে 

পরিশেষে বলা যায়, আপনি যদি প্রতিটা স্টেপ ভালোভাবে ফোলো করে পরীক্ষা করেন তাহলে নিশ্চই আপনি সঠিক রির্পোটিই পাবেন।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post