আপনি কি গর্ভধারনের জন্য প্রস্তুত?

 আপনি কি গর্ভধারনের জন্য প্রস্তুত ?

আপনি এই পোস্টটি পড়ছেন অর্থাৎ আপনি  এখন একজন মাতা/পিতা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


আপনি এই পোস্টটি পড়ছেন অর্থাৎ আপনি একজন নতুন মা/বাবা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাই আপনাকে স্বাগতম। নতুন মাতা/পিতা হওয়া অনেকের কাছেই অতি উৎসাহের আবার অনেকের কাছে ভীতির কারনও বটে।


আজকের এই পোস্টটিতে আপনি জানতে পারবেন গর্ভধারনের জন্য আপনি কতটা প্রস্তুত অথবা গর্ভধারনের জন্য আপনি প্রস্তুত কিনা।


গর্ভধারনের আগে যদি কোনো দম্পত্তি ডাক্তারের বা কোনো বিশেষজ্ঞের পরার্মশ নেয় এবং তাদের সাম্ভব্য সমস্যা ও সমাধাণ সর্ম্পকে পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করে তবে তাকে প্রিকনসেপশনাল কাউন্সেলিং বলে। বাইরের দেশে এটা বেশ জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশে ‍প্রিকনসেপশনাল কাউন্সেলিং দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।


শারীরিক সুস্থতাঃ

শারীরিক ভাবে সুস্থ্য মা একটি সুস্থ্য সন্তান প্রসব করবেন এটাই স্বাভাবিক। তাই গর্ভধারনের আগে হবু মায়ের উচ্চ রক্তচাপ,ডায়বেটিস, হাইপোথাইরয়েডের রোগ আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। যদি এসব রোগ থাকে তবে অবশ্যই তা নিয়ন্ত্রন করতে হবে। এই রোগ গুলো অনিয়ন্ত্রিত থাকলে গর্ভপাত,গর্ভাবস্থায় শিশুমৃত্য,শিশুর ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস অথবা শিশুর মেধা বিকাশে সমস্যা হতে পারে। 

টিকাঃ

হবু মাকে অবশ্যই রুবেলা ও হিপাটাইটিস এর টিকা নিতে হবে। এটি সরকারি ভাবে নিকটস্থ শিশু ও কিশোরী টিকা কেন্দ্রে বিনামুল্যেই পেয়ে যাবেন।


ঔষুধ সেবনকারী মাঃ

সন্তান নিতে চাইছেন কিন্তু লম্বা সময় ধরে বিভিন্ন ঔষুধ সেবন করছেন তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরার্মশ নিয়ে তবেই সন্তান গ্রহন করুন। বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপ, খিঁচুনি, ডাযবেটিস, ঘুমের সমস্যা অথবা মানুষিক সমস্যার ঔষুধ সেবন করছেন।


উপরোক্ত বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যালোচনা করে সন্তান গ্রহনের চিন্তা করুন। কারন আপনার সন্তানের সুস্থ্যতাই আপনার আগামী দিনের নিশ্চয়তা।তাই নিজের সমস্যা গুলো নিয়ন্ত্রন করুন এবং সন্তান গ্রহন করুন।

পরবর্তীঃগর্ভধারনের প্রাথমিক লক্ষণ সমুহ”>প্রেগন্যান্সি চেক করার নিয়ম>“গর্ভধারনের ৩ মাসে যে কাজগুলো ভুলেও করবেন না,


Post a Comment (0)
Previous Post Next Post